সাপ্তাহিক হক কথা , মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী

সাপ্তাহিক হক কথা , মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী

সাপ্তাহিক হক কথা’র প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি।

একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পত্রিকাটি সরকার কর্তৃক ব্যান করে দেয়া হয়, প্রকাশক মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী হন গৃহবন্দী, সম্পাদক সৈয়দ ইরফানুল বারীকে ১৬ মাসের জেল জীবন কাটাতে হয়।

১৯৭৬ সালে আবারো পত্রিকাটি বের হয় কিন্তু সে বছর মওলানা ভাসানীর প্রয়াণ এর গতি স্তিমিত করে দেয়। তাই ১৯৭৭ সালে মাত্র একটি সংখ্যা বের হয়।

অতপর ১৯৭৮ সালে আবারো আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৮-এই চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
বারবার বাঁধা প্রাপ্ত হওয়া এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রকাশিত হওয়ার সময়কাল অনেক কম হলেও সারা দেশে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছিল মওলানা ভাসানীর হক কথা।

সাপ্তাহিক হক কথা , মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী

সাপ্তাহিক হক কথা’র প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি।

একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পত্রিকাটি সরকার কর্তৃক ব্যান করে দেয়া হয়, প্রকাশক মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী হন গৃহবন্দী, সম্পাদক সৈয়দ ইরফানুল বারীকে ১৬ মাসের জেল জীবন কাটাতে হয়।

১৯৭৬ সালে আবারো পত্রিকাটি বের হয় কিন্তু সে বছর মওলানা ভাসানীর প্রয়াণ এর গতি স্তিমিত করে দেয়। তাই ১৯৭৭ সালে মাত্র একটি সংখ্যা বের হয়।

অতপর ১৯৭৮ সালে আবারো আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৮-এই চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
বারবার বাঁধা প্রাপ্ত হওয়া এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রকাশিত হওয়ার সময়কাল অনেক কম হলেও সারা দেশে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছিল মওলানা ভাসানীর হক কথা।

সন্তোষের ছোট্ট একটা ঘরে ছিল শান্তি প্রেস। এই শান্তি প্রেস থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড যন্ত্রপাতির সাহায্যে বের হওয়া হক কথা সমগ্র বাংলাদেশের ইতিহাস বদলে দিয়েছিল, খুলে দিয়েছিল বন্ধু মুখী শত্রুর মুখোশ।

মওলানা ভাসানীর প্রকাশিত সকল পত্রিকার মধ্যে হক কথাই সর্বপ্রেক্ষা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

৪৬ বছর আগে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিক হক কথা’-র প্রয়োজনীয়তা কখনই এদেশে ফুরিয়ে যায়নি।

কিন্তু হক কথা আর বলা হয়ে ওঠেনি কারও। ‘খামোশ’ এর ভয় নেই যে আর…

বাংলা আরো বিভিন্ন কিতাব পেতে ভিজিট করুন: বাংলা কিতাব 

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল: https://t.me/kitabbhubon

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “সাপ্তাহিক হক কথা , মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী”

Your email address will not be published.